নারী উদ্যোক্তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখন পুরুষদের সঙ্গে সমানতালে কাজ করছেনঃ আইসিটি প্রশিক্ষণে বক্তারা

ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আইসিটির (তথ্যপ্রযুক্তি) ব্যবহার
এসব কর্মকান্ডে গতি বাড়াবে এবং ব্যয় কমানোর মাধ্যমে
প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াবে। নারী উদ্যোক্তারা বর্তমানে
প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুরুষদের সঙ্গে সমানতালে কাজ করে
যাচ্ছেন। অনেক নারী ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রা
আয় করছেন। তাই তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানে প্রাধান্য দিতে হবে।
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে
হবে। কোনভাবেই যেন এর অপব্যবহার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে
প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তথ্য প্রযুক্তি ২০১৮ এর আইনটি
নিয়ে আরো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। ব্যক্তি, পরিবার ও
সমাজে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে
হবে। যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব, এর সুফল এবং
সমাজের নানা মাত্রিক পরিবর্তন আনতে পারে। সামাজিক
যোগাযোগ আমরা যত্রতত্রভাবে ব্যবহার না করি সেদিকে নজর
রাখতে হবে।’ জনউদ্যোগ এর আয়োজনে খুলনায় দুই দিনব্যাপী
আইসিটি প্রশিক্ষণে বক্তারা এসব কথা বলেন।
শনিবার সকাল ৯টায় অবসেস স্থানীয় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে
জনউদ্যোগ আয়োজিত আইইডি’র সহযোগিতায় দুই
দিনব্যাপী আইসিটি প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব

করেন জনউদ্যোগ খুলনার সদস্য ও সমাজসেবক মাসুদ মাহামুদ।
প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা সৈয়দ লুৎফুল
হক । সাংবাদিক মহেন্দ্র নাথ সেনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে
বক্তব্য রাখেন খুলনা আর্ট স্কুলে পরিচালক বিধান চন্দ্র রায়,
আইইডির সাংবাদিক সিয়াম সরোয়ার জামিল, জনউদ্যোগ
যুব সেলের জয় বৈদ্য প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। ২০৪১ সালের সমৃদ্ধ
বাংলাদেশ গঠনে অর্থনীতির মূল ধারায় এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর
সক্রিয় অংশগ্রহণ আরও বেশি বৃদ্ধি করা আবশ্যক। এই
প্রেক্ষাপটে আইসিটি সাব-সেক্টর হতে পারে একটি আদর্শ
মাধ্যম। নারী উদ্যোক্তাদের যথাযথ সহযোগিতা করা সম্ভব হলে
রপ্তানি খাতে যে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, তা আমাদের
অর্থনীতিতে নতুন দিনের সূচনা করতে পারে। আইসিটি
ব্যবহারে সহজে ও দ্রুত গতিতে ব্যবসা পরিচালনা করা যায়। ফলে
মানুষ এক জায়গায় বসবাস করে অন্য জায়গায় ব্যবসা
পরিচালনা করার সুযোগ পাচ্ছে।
সভায় বক্তারা নারী উদ্যোক্তাদের জন্য মানসম্পন্ন আইসিটি
প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, বিদেশে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে
অর্জিত আয় নিরাপদে দেশে আনা, ট্রেনিং
ইনস্টিটিউটগুলোকে যুগোপযোগী করা, উপজেলা পর্যায়
পযন্ত প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষিত জনবলের
কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণে সরকারি
তদারকি বৃদ্ধিসহ নানা দাবি তোলেন। খবরঃ বিজ্ঞপ্তির