।। সম্পাদকীয় ।।
ইউনুসের আমলে আলু-পিয়াজের যথেষ্ট উৎপাদন ছিল। অথচ তারপরও বাংলাদেশ তখন ভারত থেকে আলু-পিয়াজ আমদানী করেছে। এমনকি চালের ভাল ফলন থাকার পরও ভারত থেকে চাল আমদানী করেছে। কৃষকের চাল তখন ইউনুস সরকার কেনেনি। কৃষকের আলু না কেনায় আলু নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষক আলু রাস্তায় ফেলে চলে গেছে। এটা বাংলাদেশের কৃষিকে ধ্বংস করার জন্যই করা হয়েছিল । সস্তায় এ সব খাদ্যপন্য ভক্তরা পেয়েছে বলে সন্তুষ্ট থাকলেও দেশের কৃষি সেক্টরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।মনে রাখা প্রয়োজন কৃষিতে অন্তত ৪০% শ্রমশক্তি সম্পৃক্ত । মোট জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষিনির্ভর। তারা এখন কর্মসংস্থান নিয়ে বিপদের মুখোমুখি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি কমে মাত্র ১.৭৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাবে এই প্রবৃদ্ধি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের ৩.৩০ শতাংশ থেকে ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
পাশাপাশি সার ও সেচের উচ্চ উৎপাদন খরচ এবং বাজারের অব্যবস্থাপনার কারণে কৃষকরা লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন। কৃষি পণ্য উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা কৃষকদের বিপদাপন্ন করে তুলেছে।