অগ্নীকন্যা মতিয়া চৌধুরীর আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

ফাইল ছবি।

নিউজ ডেস্কঃ

 

এক নজরে মতিয়া চৌধুরীর বর্ণাঢ্য জীবন বৃত্তান্ত 

 

মতিয়া চৌধুরী ১৯৪২ সালের পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাংগা ইউনিয়নের মাহামুদকান্দা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।পিতা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা এবং মা নুরজাহান বেগম ছিলেন গৃহিণী। ব্যক্তিজীবনে ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। 

 

রাজনৈতিক র্জীবন 

 

১৯৬৭ সালে “অগ্নিকন্যা” নামে পরিচিত মতিয়া পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগ দিয়ে কার্যকরী কমিটির সদস্য হন। ১৯৭০ ও ১৯৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, প্রচারণা এবং আহতদের শুশ্রুষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন। 

 

১৯৭১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছিলেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সময়কালে তিনি বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হন। 

১৯৯৬ ও ২০০৯ এবং ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামীলীগের ১ নং প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

 

মৃত্যু 

 

বর্ষীয়ান নেত্রী অগ্নীকন্যা মতিয়া চৌধুরী ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তাকে দাফনের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে প্লট চেয়ে আবেদন করা হলেও প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস তা অনুমোদন না করায় তাকে তার স্বামী বজলুর রহমানের কবরের উপরে সমাহিত করা হয়। উল্লেখ্য একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের মৃত্যুর পর দাফনের আগে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও মতিয়া চৌধুরীকে তা দেওয়া ছাড়াই দাফন করা হয়।