বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে আমরা সাধারণ দর্শক জীবনমুখি ছবি দেখতে চাই।সিনামা হলে দর্শক কেন যাবেন? বিনদন পেতে? অযথা সিনামা হলে পয়সা খরচ করে টিকিট কেটে কেন সিনামা হলে ঢুকবেন? বস্তাপচা কিছু ঢাকঢোল পিটিয়ে বড় জোর ১/২ শো রমরমা করা যায়। তারপর – সব ফ্রুত আর তুড়ি দিয়ে সিনামা হল ফাকা হয়।পাশাপাশি মশা আর মাছিরা তখন ভনভন কাজে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে।
অপ্রিয় কথা- তিক্ত লাগলেও তার মুল্য কনস্ট্যান্ট।
তারকার খাতায় নাম লিখিয়ে আর সমিতি ঘরনার নানামুখী রাজনীতি করে ফায়দা কি বলুন ত? রাজ্জাক- শাবানা,কবরি- ফারুক, ইলিয়াস কাঞ্চন – রেজিনা, আলমগীর-ববিতা কিংবা শাবনুর- মৌসুমি, শাকিব – অপু হতে ভালো মানের বিনোদন নির্মাণ তদুপরি স্টার- সুপারস্টার হওয়ার বিষয় টা আসে।এদিকে ভাল সিনামা নাই, নেই জীবনমুখী বিনোদন।ওদিকে সাধারণ দর্শককে কে সিনামা হলে নেওয়ার জিকির তুললেই কি কেল্লাফতে হওয়া সম্ভব?
প্র্যয়াশই দ্যাখা যায় – মুস্টিমেয় কিছু ব্যক্তিজন টাকার গরমে, খরচের দহন বানিয়ে বিভিন্ন ঢাকাই চলচ্চিত্রকে সামনে রেখে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।এরপর নাচ- গান, ভুরিভোজ করে নিউজ কভারেজ নিয়ে, বানিজ্যিক ফায়দা লুটে যাওয়ার সংবাদ তো হরহামেশা।সেগুলো আমরা সাধারণ শ্রেণি যে বোঝে না – তা কিন্ত নয়।
সেই সাথে ডিজিটালাইজেশনের জামানায় সোশাল মিডিয়া তো,সেই সব সুবিধাবাদীদের জন্য বাড়তি – বোনাস।