রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি (এনইটিপি) এর আওতায় খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’র আয়োজনে ‘হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার আজ (রবিবার) সকালে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আরিফ হাসান।
সেমিনারে প্রধান অতিথি বলেন, খুলনা অঞ্চলের মৎস্য ও পাট গুরুত্বপূর্ণ একটি সেক্টর। এই খাতের সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৎস্যখাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই খাতে অনেক মানুষ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই সেক্টরকে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদের কাজ করতে হবে। মৎস্য সেক্টরে যারা কাজ করেন তাদের সহানুভূতিশীল হতে হবে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে। মৎস্য সেক্টরের উন্নয়নে সকলের মধ্যে সমন্বয় দরকার।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন। স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’র পরিচালক (উপসচিব) জিনাত আরা আহমেদ। সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’র পরিচালক (নীতি ও পরিকল্পনা বিভাগ) আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন। সেমিনারে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টাস এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: তরিকুল ইসলাম জহীর, সহসভাপতি এস কে কামরুল আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মূলপ্রবন্ধে জানানো হয়, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য খাতের ওপর ১৯ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ নির্ভরশীল। ইইউ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য এই সাতটি দেশে রপ্তানির উপস্থিতি রয়েছে। জিডিপিতে মৎস্য সেক্টরের অবদান ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, কৃষিতে অবদান ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ, মোট উৎপাদন ৫০ দশমিক ১৮ লাখ মেট্রিক টন ও মাথাপিছু মাছ গ্রহণ ২৪ দশমিক ৭৪ কেজি। মোট উৎপাদন ২৩৫ মিলিয়ন টন, জলজ ১০৩ মিলিয়ন টন, সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ ৯২ মিলিয়ন ও বাণিজ্যিকে ১৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশে^র প্রায় ৯০ শতাংশ মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ ১০টি দেশ নিয়ন্ত্রণ করে।
সেমিনারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানিকারক, ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক, মৎস্য সেক্টরের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।খবরঃ বিজ্ঞপ্তির