খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার কেন্দ্রের বাইরে জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে বিএনপি নেতার মৃত্যু

নিউজ ডেস্কঃ

খুলনা-২ আসনেr নগরীর আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রের বাইরে জামায়াতকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার মধ্যে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে।

 

জানা গেছে, প্রচারণা চালানোর প্রতিবাদ করায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। এতে পড়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে এক বিএনপি নেতা মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

মহিবুজ্জামান কচি নামের ৫৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি খুলনা নগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাই লেনে তার বাড়ি।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে খুলনা সদরের আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু বলেন, “সকাল থেকেই আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সেখানে জামায়াতের প্রচার করছিলেন।

“তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খান এবং মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।”

 

জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দেই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন।”

 

বিএনপি বলছে, এক জামায়াত নেতা ‘ধাক্কা দেওয়ায়’ গাছের সঙ্গে লেগে আঘাত পাওয়ায় তার মৃত্যু হয়। তবে জামায়াত নেতারা বলছেন, উত্তেজনার মধ্যে ‘অসুস্থ’ হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

মহিবুজ্জামান কচি নামের ৫৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি খুলনা নগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাই লেনে তার বাড়ি।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে খুলনা সদরের আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু বলেন, “সকাল থেকেই আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সেখানে জামায়াতের প্রচার করছিলেন।

“তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খান এবং মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।”

তবে খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, “আলিয়া মাদ্রাসায় ‘জামায়াত নেতার ধাক্কাতেই’ মহিবুজ্জামান কচির মৃত্যু হয়েছে। তথ্যঃ অনলাইন।

“আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”