আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ করলে সবার আগে তারেক রহমানকে করা উচিত: এনসিপি

ফাইল ছবি।

নিউজ ডেস্কঃ

নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শাতে হলে সবার আগে তা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে করা উচিত দাবি করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা বলেছেন, অতি দ্রুত তাদের দুই নেতাকে দেওয়া শোকজ তুলে নিতে হবে।

একই সঙ্গে এ বিষয়ে জাতির সামনে নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি তুলেছে দলটি।

সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর বিফ্রিংয়ে এসে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

তিনি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ আনেন।

এ বিষয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও কঠোর সমালোচনা করে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

 

বিএনপি চেয়ারম্যানকে কেন কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হল না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “তারেক রহমান যখন বাংলাদেশ দেশে এসেছেন। সারা ঢাকা শহর পোস্টারে ছেয়ে গেছে, ওনার নির্বাচনি এলাকা গুলশান পোস্টারে ভরে গেছে। অথচ আমাদের গণভোটের প্রচারে ছবি ব্যবহার করায় আমাদের শোকজ দেওয়া হল।”

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারীকে রোববার নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শাতে নোটিস দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী প্রচার শুরু সময় আসার আগেই গণভোটে ‘হ্যা’ এর পক্ষে প্রচারে নামায় তাদের শোকজ করা হয়। সোমবার দুপুরে তারা এর জবাব দিয়েছেন।

 

এদিন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে এনসিপি। পরে বাংলা মোটরে দলের কার্যালয়ে এ বিষয় ব্রিফিংয়ে আসেন তারা। বিডিনিউজ২৪.কম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে এনসিপির তরফে এসব বিষয় তুলে ধরার কথাও বলেন তারা।

দলের আহ্বায়ক নাহিদের নেতৃত্বে ওই বৈঠকে অংশ নেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা।