ছবিতে আলেকজেন্ডার সরোস ড. ইউনুসের সাথে সাক্ষাৎ করেন ।তখন ফটোগ্রাফার শহীদুল আলম[বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাসে বিতর্কিত একটি চরিত্র হিসেবে পরিচিত] উপস্থিত ছিলেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন পোষ্ট দৃশ্যমান, যেখানে বলা হয়েছে -” ইহুদীদের ত্রাণ নিয়ে ফিলিস্তিনের জন্য মায়াকান্না করতে গেছে শহীদুল আলমরা।অনেকটা জনাব ইউনুসকে ইহুদী প্রেমী তকমা থেকে দূরে রাখার বিশেষ মিশন ”
সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন পোষ্টের আরও একটি কোড করা হল-
“জর্জ সোরসের ওপেন ফাউন্ডেশন আর ইউনূসের গ্রামীণ ফাউন্ডেশন এদের একমাত্র কাজই হচ্ছে ইসলামের নামে মানুষকে বোকা বানানো।”
এভাবেই আমাদের বুঝতে হবে – কেন ৮৬ বছর বয়সী জনাব ইউনুস আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেই মশকরা করে বলেন” লোকে তাকে তালেবান বলে।”
জনমুখে প্রচারিত ও প্রচলিত
জনশ্রুত একটা কথা রয়েছে- ইউনুস শাসনের মুল লক্ষ নিজেদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করা।
জনাব ইউনুসকে নিয়ে আলেকজেন্ডার সরোস (Alexander Soros) তার ফেসবুক স্টাস্টাসে লিখেছেন,
” আমার বাবা এবং ফাউন্ডেশনের একজন পুরনো বন্ধু, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী
@professormuhammadyunus, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন নেতা, যিনি ন্যায়বিচার ও শান্তির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, তাকে দেখে আনন্দিত।”
আলেকজেন্ডার সরোস এর পরিচয়
আলেকজান্ডার সোরোস (জন্ম: ২৭ অক্টোবর, ১৯৮৫ একজন আমেরিকান বিনিয়োগকারী এবং সমাজসেবী। বিলিয়নেয়ার জর্জ সোরোসের পাঁচ সন্তানের মধ্যে একজন, তিনি ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিত্ব করেন এবং সোরোস ফান্ড ম্যানেজমেন্টের বিনিয়োগ কমিটিতেও তিনি রয়েছেন ।