নিউজ ডেস্কঃ
শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধ আইনের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। আজ সকালে তাদের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) তোলা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার জন্য ৭১’ এর ব্যানারে আসামিরা জড় হয়েছিলেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, দেশের সন্মানিত ব্যক্তিবর্গের সাথে প্রকাশ্যে মব করা হল। তাদেরকে লাঞ্ছিত ও আঘাত করা হল । তাদের মানহানি হয়েছে। অথচ তাদেরকে কোর্টে এনে গ্রেফতার দ্যাখানও হচ্ছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে কেউ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বললেই ফ্যাসিস্টের দোসর হয়ে যান ।
আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ অন্যরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গ্রেফতার হওয়া বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকির বড় ভাই সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী জানিয়েছেন, আদালতের জামিন দেওয়ার ক্ষমতা নেই, এ জন্য ওকালতনামায় স্বাক্ষর করবো না।
তার পক্ষে লড়তে স্বাক্ষরের জন্য যান আইনজীবী সাইফুল ইসলাম। এ সময় লতিফ সিদ্দিকী এ কথা বলেন ।
অপর আসামিরা হলেন– ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খান, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।