হারানো ফুটবল ঐতিহ্য বঙ্গবন্ধু কন্যা পুণরায় উজ্জীবিত করেছেনঃ খুলনা সিটি মেয়র 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালকুদার আব্দুল খালেক বলেছেন,
সাতচল্লিশে দেশ বিভাগের পর পকিস্তান সরকার বাঙালীর ভাষা ও সাংস্কৃতি
পরিবর্তন করতে চেয়েছিল। স্কুল, কলেজসহ সমাজের সকল স্তরে বিজাতীয়
সংস্কৃতি চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুসহ তৎকালীণ নেতৃবৃন্দ এর
প্রতিবাদ করেন এবং সেই থেকে পাকিস্তান বিরোধীন আন্দোলনের শুরু। এই
দেশের মানুষের অধিকার ও প্রাপ্যতা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যে আন্দোলন
শুরু হয় তা শেষ হয় স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।
সিটি মেয়র আজ সোমবার সকালে খুলনা সরকারি মহিলা কলেজের বার্ষিক
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র আরো বলেন, হারিয়ে যাওয়া ফুটবল
ঐতিহ্য বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুণরায় উজ্জীবিত করেছেন।
প্রাইমারী পর্যায়ে তিনি বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল
প্রতিযোগিতার প্রচলন করেন যা ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয়
পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়। নারী ফুটবল দলের সাফ চ্যাম্পিয়ন প্রধানমন্ত্রীর এ
উদ্যোগেরই ফল বলে তিনি উল্লেখ করেন। নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রীর
বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরে সিটি মেয়র এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে
যোগ্যতা ও সম্মান প্রতিষ্ঠায় নারীদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।
দেশের বায়ান্ন শতাংশ নারী জাতির জন্য অবদান রাখতে পারলে এই দেশ আরো
দ্রুত এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর টি এম জাকির হোসেন-এর সভাপতিত্বে পুরস্কার
বিতরণী অনুষ্ঠানে কলেজের উপাধাক্ষ ড. সমীর রঞ্জন সরকার, শিক্ষক পরিষদের
সাধারণ সম্পাদক খান আহমেদুল কবির চাইনিজ ও ছাত্র সংসদের ভারপ্রাপ্ত
অধ্যাপক মোঃ আব্দুল জব্বার প্রমুখ বক্তৃতা করেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন
বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২২ আয়োজক
কমিটির আহবায়ক জীবন কুমার কর্মকার এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন
বাংলা বিভাগের প্রভাষক কানিজ লায়লা, ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক শামীমা
ইয়াসমিন ও শিক্ষার্থী আখি আমিন মুন্নী। স্থানীয় আওয়ামীলীগ
নেতৃবৃন্দসহ শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক
প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। খবর; বিজ্ঞপ্তির