নিউজ ডেস্কঃ
বারবার ভারতের হাতে মার খেয়েও শিক্ষা হচ্ছে না পাকিস্তানের। এবার জানা গেল, দিল্লিতে জঙ্গি হামলার ছক কষেছিল তারা। তবে পাক গুপ্তচর চক্রের ২ জনকে গ্রেফতার করে সেই হামলার পরিকল্পনা বানচান করেছে দিল্লি পুলিশ। জানা গিয়েছে গোয়েন্দারা তিন মাসের সুপরিকল্পিত গোপন অভিযানে এই গুপ্তচর চক্রের সন্ধান পেয়েছে। (PTI)
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লিতে বড়সড় সন্ত্রাসী হামলা চালানোর ছক কষছিল আইএসআই। সেই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত যে দু’জনকে দিল্লি পুলিশ ধরেছে, তাদের মধ্যে একজন পাকিস্তানি। ধৃত পাকিস্তানির নাম আনসারুল মিয়াঁ আনসারি। এই আসারিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল গত ১৫ ফেব্রুয়ারি। এই গুপ্তচর যে ভারতে আসতে চলেছে, সেই খবর গোয়েন্দারা পেয়েছিলেন জানুয়ারি মাসেই। (PTI)
এই আনসারির কাজ ছিল ভারতীয় সেনা এবং সামরিক বাহিনী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে তা পাকিস্তানে পাঠানো। এই গোটা চক্রের সঙ্গে পাক হাইকমিশনের আধিকারিক মুজাম্মিল এবং এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশও যুক্ত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। এমনিতেই দানিশ এবং পাক হাইকমিশনের অন্যান্য আধিকারিকরা যে ভারতে গুপ্তচর বা এজেন্ট নিয়োগ করছিল, তা মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। (PTI)
এদিকে তদন্তে জানা যায়, আনসারিকে এই অপারেশনে সাহায্য করছিল রাঁচির বাসিন্দা আখলাক আজম। এদিকে এই অভিযানে ভারতীয় গোয়েন্দারা প্রতিটি ধাপে এক পা এগিয়ে ছিল গুপ্তচরদের থেকে। এই আবহে ১৫ ফেব্রুয়ারি মধ্য দিল্লিতে বিপুল পরিমাণ তথ্যপ্রমাণ, নথি সহ গ্রেফতার করা হয় আনসারিকে। এই আনসারি নেপাল হয়ে পাকিস্তানে ফেরার পরিকল্পনা করছিল। এই আনসারি আদতে নেপালি। কাতারে কাজ করার সময় আইএসআই তাকে নিয়োগ করেছিল বলে জানা যায়। এদিকে তার সাহায্যকারী আজমকে মার্চ মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল। (PTI)
সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই গুপ্তচর চক্র নাকি বড়সড় কোনও হামলার ছক কষছিল। আনসারি ও আজমের ফোনের চ্যাট থেকে জানা গিয়েছে, এই চক্র বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত। এই আবহে আনসারি এবং আজমের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আদালতে চার্জশিট ফাইল করেছে দিল্লি পুলিশ।-হিন্দুস্তান টাইমস।