পদ্মা সেতু হয়ে খুলনা-ঢাকা ট্রেন সার্ভিস চালু করায় সরকারকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে খুলনা নাগরিক সমাজ। সংগঠনের পক্ষে সংগঠনটির আহŸায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ অ্যাডঃ আ ফ ম মহসীন এবং সদস্য সচিব অ্যাডঃ মোঃ বাবুল হাওলাদার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন,
সরকারের এই উদ্যোগে খুলনা-ঢাকা এবং সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের যাতায়াতে এক নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এ উদ্যোগের ফলে খুলনাসহ এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতে যেমন কষ্ট লাঘব হবে, সময় ও অর্থ বাঁচবে, তেমনি বন্দর ও শিল্প নগরী খুলনায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা সৃষ্টি ও নগরীর প্রাণ ফিরে পাওয়ার এক অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। যা শুধুমাত্র খুলনাঞ্চলের নয়, সারা দেশের যোগাযোগ ও অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। এ উদ্যোগ জাতীয় অর্থনীতিসহ মাসগ্রীক কর্মকান্ডে গতি আনবে। সুতরাং এ সম্ভাবনাময় খাতটি সচল রাখতে প্রয়োজন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দূর্নীতি বন্ধ করে লাভজনক খাতে পরিণত করা। সরকার মনিটরিং এর মাধ্যমে দূর্নীতি বন্ধ করতে পারলে ব্যাপক জনপ্রিয় এ যোগাযোগটি লাভজনক করেই সচল রাখা সম্ভব। নেতৃদ্বয় চাহিদার সাথে সংগতি রেখে আরো বগি সংযোজন এবং ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি করা অতীব জরুরী বলে মনে করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, কর্তৃপক্ষ যদিও সার্বিক বিবেচনা করেই ট্রেনের সময়সূচী নির্ধারণ করেছেন। তথাপিও অন্ততপক্ষে শীত ও গ্রীষ্মকালীন রাত-দিনের সময় বিবেচনায় অন্যান্য রুটের ন্যায় এরুটেরও বিশেষ করে সকাল ৬টার সময়সূচী শীতকালে পিঁছিয়ে এবং প্রয়োজনে গ্রীষ্মকালে সমন্বয় সাধন জরুরী বলে উল্লেখ করা হয়। শীতকালে সকাল ৬টায় দূরদূরান্তের যাত্রীদের নিরাপত্তার প্রশ্নেও বিষয়টি বিবেচনার দাবী রাখে বলে বিৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এ রুটটিকে অলাভজনক ও অচল করার কোন ষড়যন্ত্র যাতে দানা বাঁধতে না পারে সে বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার আহŸান জানান নেতৃদ্বয়। খবরঃ বিজ্ঞপ্তির