মোহাম্মদ নগর বিসমিল্লাহ সড়ক লবনচরা, খুলনা এর স্থায়ী বাসিন্দারা
নির্যাতিত, নিপিড়ীত, ভূমিদস্যু, আমিনুল ইসলাম মিন্টু গ্রুপের
কাছে অতিষ্ট হইবার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ।
আজ খুলনা প্রেস ক্লাবে উক্ত সংবাদ সম্মেলনে এফ.এম. আখতার ফারুক-এস্কেন্দার আলী শেখ স্বাক্ষরিত লিখত বক্তব্যে বলা হয়েছে,
আমরা লবনচরা থানাধীন
বিসমিল্লাহ সড়কের স্থায়ী ৮/১০ টি পরিবার দীর্ঘ ২৫/৩০ বছর যাবত আমরা
উক্ত মোহাম্মদ নগর এলাকায় বসবাস করিয়া আসিতেছি। এখানে
সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক,
মসজিদের ইমাম এবং অন্যান্য ব্যবসায়ী সবাই মিলে একসাথে বসবাস
করিয়া আসিতেছি। আমাদের জমির দলিল, খাজনা, মিউটেশন, রেকর্ড,
অনলাইনে সব কিছু করা এবং সব কাগজপত্র ঠিক আছে। দীর্ঘ ২৫/৩০ বছর
যাবত কেউ কোন নিদ উক্ত জমির দাবী করে নি। হঠাৎ করে কিছু দিন যাবত
আমিনুল ইসলাম মিন্টু এবং মিন্টু গ্রুপের মোহাম্মদ নগর এলাকার
অনেক বাসিন্দার কাছে যায়এবং অকথ্য ভাষায় বিভিন্ন ধরণের গালি গালাজ
করে এবং হুমকি দিয়ে বলে যে, এই জমি আমাদের তোমরা এইজমি ছেড়ে
অন্যত্র চলে যাও। এতে করে উক্ত এলাকায় স্থায়ী ভাবে বসবাসকারীরা
মানসিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে এবং উচ্ছেদের আতংকে থাকে। বর্তমানে
মৃত: হারেজ ডাক্তার (মুক্তিযোগ্য) কে জমির দাবীদার সাজাইয়া উক্ত আমিনুল
ইসলাম মিন্টু বাহিনী আমাদের সামনে আনে। আসলে সে প্রকৃত
মুক্তিযোদ্ধা নয় এবং জমি ও তার নয়।
হারেজ ডাক্তার এর পক্ষে আমনুিল ইসলাম মিন্টুর দাবিকৃত সম্পতি নিয়ে
একটি দেওয়ানি মামলা নং-১৫৮/২২ চলমান। হাজের ডাক্তারের পক্ষে আমিনুল
ইসলাম মিন্টুর দাবিকৃত উক্ত ১৪২৩ এর হারেজ ডাক্তার এর সম্পত্তি বাটা
হয়ে ১৪৭৫নং দাগে পরিনত হয়েছে যে দাগে হারেজ ডাক্তার এর ওয়ারিশগন
দখলকার আছে। উল্লেখ্য এই জমি নিয়ে বর্তমানে আরো কয়েকটি দেওয়ানী
মামলা চলমান। ভূমি দস্যুদের হাত থেকে এলাকার নির্যাতিত মানুষকে রেহাই
দেয়ার লক্ষে করনীয় যা কিছু করা উচিত সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ
কামনা করছি।